জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে মাহমুদুল হাসান শাকিল (সাকিল) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় দেন। দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জরিমানার অঙ্কে গণমাধ্যমভেদে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। দেশ রূপান্তর ও ঢাকা ট্রিবিউন বাংলার তথ্যানুযায়ী, আদালত আসামিকে ৮ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। তবে ঢাকা টাইমস ও আজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে জরিমানার পরিমাণ ৫ লাখ টাকা এবং এ অর্থ ভুক্তভোগী পাবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না বলে অধিকাংশ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হলেও দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে আসামির উপস্থিত থাকা ও না থাকা নিয়ে পরস্পরবিরোধী তথ্য রয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১২ মে সন্ধ্যায় দেওয়ানগঞ্জের তারাটিয়া বাজার এলাকা থেকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত শাকিলের বাড়ি শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সাতানি মথুরিয়া (মতান্তরে সাতনি মুথুরাদি) এলাকায়। আসামির বয়স ঢাকা টাইমসের মতে ২৮ বছর এবং আজকের পত্রিকার মতে ৩০ বছর। অপহরণের পর প্রথমে শেরপুরের শ্রীবরদীতে এবং পরে গাজীপুরের টঙ্গীর দেউরা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে স্কুলছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার সাত দিন পর ১৯ মে পুলিশ সেখান থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। বিচারিক কার্যক্রমে পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। দেশ রূপান্তরের তথ্যমতে, রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট ফজলুল হক এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আমান উল্লাহ আকাশ।






