সমকালের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হবে। এ সময় দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সরবরাহ ৯২ কোটি ঘনফুট থেকে কমে ৬০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসবে।

ইনকিলাব, ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা ও চ্যানেল ২৪-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেট্রোবাংলার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে সামিট এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এই সরবরাহ হ্রাস পাবে। ইনকিলাবের তথ্যে একে ৯২০ মিলিয়ন থেকে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট ঘাটতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে সারা দেশে গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা এবং সংস্থাটি সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।

বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে ইতিমধ্যে বিভিন্ন খাতে গ্যাসের সংকট চলছে এবং এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজের ফলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। ইনকিলাবের পরিবেশিত তথ্য অনুসারে, গত ৩০ ও ৩১ অক্টোবর দেশে মোট গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৫১৯ দশমিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট, যার মধ্যে এলএনজি থেকে রিগ্যাসিফিকেশনের মাধ্যমে সরবরাহ হয়েছিল ৯৪২ দশমিক ৬ মিলিয়ন ঘনফুট।