বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী, শনিবার (৩১ অক্টোবর) বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে ‘বিএনএমপিসি ন্যাশনাল সায়েন্স কার্নিভাল‑২০২৬’ এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

মন্ত্রীর বক্তব্যে তিনি জোর দিয়েছেন যে উন্নত দেশগুলো শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারই নয়, নিজেই প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও তৈরি করছে। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশকেও সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে। এজন্য শিক্ষায় আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে তুলতে হবে।’

মন্ত্রীর মতে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছেন। ২০২৮ সাল থেকে পরিমার্জিত কারিকুলামের আলোকে নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রবর্তন করা হবে, এবং ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’, ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’, ‘খেলাধুলা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ শীর্ষক চারটি নতুন বই শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়াও তিনি ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুর পরিকল্পনা এবং শিক্ষকদের পাঠদান কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করার কথা উল্লেখ করেন।

মন্ত্রীর প্রশংসা ছিল শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্পের জন্য, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসুরক্ষা ও নদীগুলোকে জীবন্ত করার মতো বিষয়গুলিতে তাদের ভাবনার জন্য। তিনি বলেন, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বা ইন্ডাস্ট্রি‑একাডেমিয়া সম্পর্ক গড়ে তুললে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

মন্ত্রীর মতে, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল করতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি বলেন, ‘সামনে ভালো করার সুযোগ রয়েছে। পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া মানেই জীবন থেকে ছিটকে পড়া নয়। বরং ভবিষ্যতে আরও উদ্যম নিয়ে ভালো ফল করার চেষ্টা করতে হবে।’

মন্ত্রীর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রায় ১২টি স্টলে প্রদর্শিত প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার বিতরণ করেন। উপস্থিত ছিলেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, কলেজের অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তাজুল ইসলামসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী অনুষ্ঠানটি বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে অনুষ্ঠিত হয়, তবে ঢাকা টাইমস অনুযায়ী এটি বিজিবি সদর দপ্তরে হয়েছিল। একইভাবে, বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, ঢাকা টাইমস অনুযায়ী মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। ঢাকা টাইমস আরও জানিয়েছে যে ১৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৩০০টি প্রকল্প প্রদর্শিত হয়েছিল।