বাংলা ট্রিবিউনের অনুসারে, ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের দক্ষিণ মানিকদীতে ‘নিউ গিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেড’ প্রকল্পে ভাঙচুর, লুটপাট ও চুরির ঘটনা ঘটেছে। ওই এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওতেও হামলা করা হয়।
দু’দিন পর, ২৬ অক্টোবর, ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক (প্রথম আলো ও সারাবাংলা অনুসারে হেক) আদালতে শুনানি শেষে জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া‑২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল গফুরের জামাতা মো. মিজানুর রহমান ও বিকাশ চন্দ্র শাহকে জামিনের আদেশ দেন। বাংলা ট্রিবিউনের তথ্য অনুযায়ী, প্রোsecution বিভাগের এসআই মারুফুজ্জামান (প্রথম আলো ও সারাবাংলা অনুসারে মারুফ রহমান) এই জামিনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে শুনানি করেন। বাদীপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। পরে আদালত তাদের জামিনের আদেশ দেন।’
মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী, শাহিনুজ্জামান এবং শাহ আলম অনিকের পূর্বে জামিনের আদেশ দেওয়া হয়েছিল; যথাক্রমে ৪ অক্টোবর, ১৮ অক্টোবর ও ১৯ অক্টোবর। এছাড়া মামুন, আসলাম ও মুন্না নামের তিনজন আসামি কারাগারে রয়েছেন।
প্রধান সূত্রে উল্লেখিত মামলায় মোট ১৩ জনের নাম দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি ১৫০‑২০০ জনকে পরিচয় ছাড়া আসামি করা হয়েছে। প্রথম আলো ও সারাবাংলা অনুসারে, মিজানুর রহমানকে ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে পশ্চিম মাটিকাটা এলাকায় ডিবি গুলশান দলে গ্রেপ্তার করা হয়, ২৯ সেপ্টেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়, ১ অক্টোবর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয় এবং ৭ অক্টোবর রিমান্ড শেষ করে আবার কারাগারে পাঠানো হয়। বিকাশ চন্দ্রের গ্রেপ্তার ৪ অক্টোবর ডিএমপি গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) কর্তৃক মাগুরা থেকে করা হয়েছে (প্রথম আলো)।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জমির দখল‑বেদখল সংক্রান্ত বিরোধকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে; তবে সুনির্দিষ্ট কারণের নিশ্চিতকরণ পরবর্তী তদন্তে হবে।
এই তথ্যগুলো বাংলা ট্রিবিউনের পাশাপাশি প্রথম আলো, সারাবাংলা ও বার্তা২৪ের প্রতিবেদন থেকে সমন্বিত করা হয়েছে; যেখানে নামের বানান ও নির্দিষ্ট তারিখে পার্থক্য রয়েছে, তা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে।






