বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্ধারিত তারিখ আবারও পেছাল, এবং আদালত ৯৯তম বারের মতো নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে। প্রথম আলো অনুসারে, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে সিআইডি (পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ) কে অতিরিক্ত সময় দিয়েছেন। এই তথ্য ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রুকনুজ্জামান নিশ্চিত করেছেন।

মামলাটি ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের সঙ্গে সংযুক্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে সাইবার হামলার মাধ্যমে ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হওয়ার পর শুরু হয়। প্রথম আলো উল্লেখ করেছে, তদন্ত‑সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ধারণা করেন যে দেশের অভ্যন্তরের কোনো চক্রের সহায়তায় এই অর্থ চুরি হয়েছে।

ঘটনার পর, একই বছরের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের তৎকালীন উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন এবং পরদিন, ১৬ মার্চ, আদালত সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব অর্পণ করেন। এরপর থেকে সিআইডি মামলাটির তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তুলনা করলে, ঢাকা পোস্ট এবং দেশ রূপান্তর উভয়ই একই মূল তথ্য পুনরায় উল্লেখ করেছে, তবে কিছু পার্থক্য রয়েছে। ঢাকা পোস্ট অনুযায়ী, প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পূর্বনির্ধারিত তারিখ ১৯ অক্টোবর ছিল, যেখানে প্রথম আলোতে শুধুমাত্র “সোমবার” উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, ঢাকা পোস্ট এবং দেশ রূপান্তর উভয়ই হ্যাকিং প্রক্রিয়ায় “সুইফট কোড” ব্যবহারের এবং চুরি করা অর্থ ফিলিপাইনে পাঠানোর উল্লেখ করেছে, যা প্রথম আলোতে উল্লেখ নেই। এই পার্থক্যগুলোকে আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই তথ্যগুলো প্রথম আলো অনুসারে সংগ্রহ করা হয়েছে; অন্যান্য সূত্রের উল্লেখ আলাদা ভাবে করা হয়েছে।