ইত্তেফাকের মতে, জামালপুরের বকশীগঞ্জে শনিবার রাত ৮২০ টায় বকশীগঞ্জ থানা বৈষ্ণবপাড়া থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন বৈষ্ণবপাড়া গ্রামের সুজাত মিয়া (৩৭), সিফাত (২০), জয়দেবপুরের রুবেল মিয়া (২৭), জানকীপুর মির্ধাপাড়া ফুরকান হোসেন (১৯) এবং লাউচাপড়া গ্রামের আমান উল্লাহ উদয় (২৭)। আমান উল্লাহ উদয় বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক।
জব্দের বিস্তারিত
গ্রেপ্তারকালে ২১৭ বোতল ভারতীয় মদ ও চোরাচালানে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। ইত্তেফাকের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সূত্রের ভিত্তিতে ডিবি-২ টহল দল সুজাত মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এই পাঁচজনকে আটক করে। তারা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে চোরাইপথে ভারতীয় মদ আমদানি করে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করে আসছিল।
ছাত্রদলের প্রতিক্রিয়া
বকশীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়দুল ইসলাম শামীম জানান, আমান উল্লাহ উদয় চক্রান্তের শিকার। কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতাসহ একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে; সত্য প্রমাণ হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, মিথ্যা হলে ছাত্রদল তার পাশে থাকবে।
আইনি পদক্ষেপ
জামালপুরের পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে রোববার সকালে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(বি)(১)(বি)/২৫(ডি) ধারায় বকশীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং গ্রেপ্তার দেখিয়ে ইতিমধ্যে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অন্যান্য সংস্থার প্রতিবেদন ও পার্থক্য
‘বার্তা২৪’ অনুসারে, জব্দকৃত মদের মূল্য প্রায় সাড়ে ছয় লাখ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও ইত্তেফাকের মূল প্রতিবেদনে এই তথ্য উল্লেখ নেই। ‘আজকের পত্রিকা’ দাবি করে যে জব্দকৃত মোটরসাইকেলটি মাদক বহনে ব্যবহৃত ছিল এবং গ্রেপ্তার ডিবি-১ টহল দল দ্বারা করা হয়েছে; ইত্তেফাকের তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলটি মদ চোরাচালানের জন্য ব্যবহৃত এবং ডিবি-২ টহল দল অভিযানে অংশ নিয়েছে। এই পার্থক্যগুলো সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।






