অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তে ভারত ও চীনের সৈন্যদের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থা চলমান, ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা অনুযায়ী।

উচ্চপদস্থ সূত্রের মতে, জুলাই মাসের শেষদিক থেকে আসাফিলা এলাকায় সীমান্ত উত্তাপ চরম আকার ধারণ করেছে, চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি ভারতীয় সীমান্ত রেখার ধারণা অনুযায়ী প্রায় ৬ থেকে ৭ কিলোমিটার ভেতরে প্রবেশ করে নিজস্ব তাবু গেড়েছে, ভারত অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে।

১৮তম ব্রিকস সম্মেলন, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের যোগদান, এবং বিভিন্ন সীমান্ত বৈঠক সত্ত্বেও পরিস্থিতি অচলাবস্থায় রয়েছে, ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা অনুযায়ী।

আইটিবিপি মহাপরিচালক শত্রুজিৎ কাপুর রাজস্থানের আলোয়ারে একটি অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেছেন যে, সীমান্ত রক্ষায় ঐতিহ্যবাহী অস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন ও অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তির ওপর জোর দিতে হবে, এবং চীনের সামরিক আধুনিকায়নকে নজরে রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন যে, আধুনিক যুদ্ধপরিস্থিতিতে মাটির উপরের স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হতে পারে, তাই আগামী তিন বছরের মধ্যে চীন সীমান্তে প্রতিটি ফরওয়ার্ড পোস্ট বা অগ্রবর্তী ঘাঁটির জন্য মাটির নিচে নিরাপদ আশ্রয়স্থল বা বাঙ্কার নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।