প্রথম আলো অনুসারে, ট্রাম্প প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ গোয়েন্দা কর্মকর্তা জে. ক্লেটন একটি লিখিত মেমোতে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করার তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে বলে সতর্ক করেছেন। একই মেমোতে ইরানের পরিকল্পনা মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী হামলা চালানোর দিকে অগ্রসর হয়েছে, যা ‘চূড়ান্ত পর্যায়ে’ পৌঁছেছে বলে উল্লেখ আছে।
মেমোটি রয়টার্সের কাছে প্রকাশিত হয় এবং এতে উল্লেখ আছে যে এই তথ্য সিআইএর পরিচালক জন র্যাটক্লিফকেও পাঠানো হয়েছে; মেমোটি গোপনীয় শ্রেণির নয়। প্রথম রিপোর্টটি যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস প্রকাশ করেছিল।
মেমোর একটি অংশে, ২৩ অক্টোবর ২০২৬-এ ক্লেটন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে লিখে জানিয়েছেন যে বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য ইরানের তীব্র প্রস্তুতি নির্দেশ করে। এছাড়া, ক্লেটন উল্লেখ করেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যসহ কয়েকটি দেশে ইরানের প্রাণঘাতী হামলার ষড়যন্ত্র এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া
মেমোর প্রকাশের পর, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর গত বুধবার সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন কূটনৈতিক মিশন থেকে অ-জরুরি কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের তৎক্ষণাৎ প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলের এক ডজনের বেশি দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা হালনাগাদ করা হয়েছে; এতে সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরাক ও ইসরায়েল অন্তর্ভুক্ত। এই সতর্কতা হুতিদের কাছ থেকে বাড়তি হুমকির ফলে আপডেট করা হয়েছে।
রিপোর্টে উল্লেখ আছে যে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর সামরিক আক্রমণ শুরু করে, যার প্রতিক্রিয়ায় ইরানও পাল্টা হামলা চালায়। হুতি গোষ্ঠী ইরানের পক্ষে এই সংঘাতে যুক্ত হয়েছে, যা প্রায় আট মাস ধরে চলা আঞ্চলিক যুদ্ধকে হুতি ও সৌদি আরবের মধ্যে সংঘাতে রূপান্তরিত করেছে।
দেশ রূপান্তরও একই বিষয়গুলো তুলে ধরেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তার সতর্কতা ও হুতিদের হুমকি সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে। উভয় সূত্রই ইরানের প্রস্তুতি ও মার্কিন কূটনৈতিক কর্মী প্রত্যাহারের পদক্ষেপকে সমর্থন করে।
প্রথম আলো অনুসারে, এই তথ্যগুলো এখনও গোপনীয় নয় এবং জনসাধারণের কাছে প্রকাশিত হয়েছে।




