ধারা অনুযায়ী ঢাকা পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, অবসরপ্রাপ্ত জাতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলকে গতকাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তার ব্যাটিং কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

আশরাফুল জানান, তিনি কোনো অনুতাপ না রেখে, আলহামদুলিল্লাহ্‌ ধন্যবাদ জানিয়ে, দেশের হয়ে এক দিন কাজ করার গর্ব প্রকাশ করেছেন এবং মোট ১১ মাসের কাজের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, তার চুক্তি ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এবং পরের তিন মাসে অন্য কোনো কাজের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে। বর্তমানে তিনি ব্যাটিং কোচের পদে নেই এবং ভবিষ্যতে কোনো কাজের সুযোগ হলে জানানো হবে।

দল সম্পর্কে তার মন্তব্যে তিনি বলেন, যদিও ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজে ফলাফল সন্তোষজনক না হয়, তবু টেস্ট দল "খুবই গোছানো"।

অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের অতিরিক্ত তথ্য

প্রথম আলো অনুসারে, সিদ্ধান্তটি সকালবেলার অনুশীলনের সময় নেওয়া হয়, যা ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট সিরিজের (শুরু ২৮ অক্টোবর) ঠিক আগে ঘটেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে, আশরাফুল ১ নভেম্বর (২০২৫) থেকে ব্যাটিং কোচের দায়িত্বে ছিলেন, যা আমিনুল ইসলাম বিসিবি সভাপতি হওয়ার পর। তার সময়কালে বাংলাদেশ মোট আটটি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে, যার মধ্যে পাঁচটি জয়, একটি ড্র এবং একটি হার হয়েছে; তবে আটটি ম্যাচের সুনির্দিষ্ট ফলাফল নিয়ে কিছু পার্থক্য রয়েছে। এছাড়া দল ১৪টি ওডি এবং ১১টি টি‑২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছে।

সারাবাংলা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিসিবি জানিয়েছে যে আশরাফুলের চুক্তিতে এখনও তিন মাসের বেশি সময় বাকি রয়েছে এবং তাকে নতুন কোনো দায়িত্বে জড়িয়ে দেওয়া হতে পারে। রিপোর্টে উল্লেখ আছে যে, হাই পারফরম্যান্স বিভাগের প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন অস্থায়ীভাবে ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এছাড়া, বিসিবি বিদেশি ব্যাটিং কোচের সন্ধানে রয়েছে; হাশিম আমলা (দক্ষিণ আফ্রিকা) ও মোহাম্মদ ইউসুফ (পাকিস্তান) নামগুলো আলোচনায় উঠে এসেছে।

দুটি সংবাদমাধ্যমই একমত যে, এই পদত্যাগের আগে দল ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে পারেনি, যা সম্ভবত পদত্যাগের পেছনের কারণগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে, আশরাফুল প্রকাশ্যে কোনো বিরোধিতা করেননি এবং তিনি বলছেন যে তার প্রতি অবিচার করা হয়নি।

এই তথ্যগুলো ঢাকা পোস্টের সঙ্গে অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টের ভিত্তিতে সংকলিত।