সমকালের প্রতিবেদনের মতে, ঢাকা শহরের মোহাম্মদপুরে মোটরসাইকেল কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ব্যবসায়ী (মো. শরীফ)কে বাসায় ডেকে নিয়ে আটকে রাখা হয় এবং ১ মিলিয়ন টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। প্রথমে তাকে ৭০,০০০ টাকা দিয়ে সন্তুষ্ট না হয়ে মারধর করা হয় এবং পরে তাকে ‘অপহরণ’ করে শ্যামলীর শীশু হাসপাতালের বিপরীত পাশে থাকা একটি সাদা টয়োটা প্রোবক্সে তুলে নেওয়া হয়।

অপহরণ ও চাঁদাবাজির বিশদ

সমকাল অনুসারে, শরীফকে চাঁদাবাজি করা লোকেরা তার সঙ্গে থাকা ৭০,০০০ টাকা গ্রহণের পরও সন্তুষ্ট না হয়ে অতিরিক্ত ১ মিলিয়ন টাকা দাবি করে। তার শারীরিক ক্ষতি হয়েছে এবং তিনি পরিবারকে ফোন করে টাকা সংগ্রহের চেষ্টা চালান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সার্জেন্ট আল মামুন, ল্যান্স কর্পোরাল নুরুজ্জামান, নিরাপত্তা প্রহরী মুকুল গাজী এবং ‘সোনিয়া’ নামে এক নারী, যাকে আনসার সদস্য সোহেল রানা নিজের বোন বলে পরিচয় দেয়।

গ্রেপ্তার ও হেফাজত

শেরেবাংলা নগর থানা ওসি মনিরুল ইসলাম (সমকাল) জানান, রাত পৌনে ৩টার দিকে শ্যামলীর চেকপোস্টে একটি গাড়ি থেকে নেমে শরীফ সাহায্য চাইলেন। থানা পুলিশ ছয়জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করে এবং তাদের মোহাম্মদপুর থানা হেফাজতে হস্তান্তর করে। গ্রেপ্তারের মধ্যে ডিজিএফআই’র সার্জেন্ট আল মামুন ও ল্যান্স কর্পোরাল নুরুজ্জামান, আনসার সদস্য সোহেল রানা, নিরাপত্তা প্রহরী মুকুল গাজী, নেট্রাকোনার মাহফুজুর রহমান এবং কালীগঞ্জের জিয়াউল ইসলাম অন্তর্ভুক্ত (সারাবাংলা, বাংলা ট্রিবিউন, আজকের পত্রিকা)। জিয়াউলের চালিত সাদা টয়োটা গাড়িটিও জব্দ করা হয়।

মামলা ও আদালতিক কার্যক্রম

শরীফ মোহাম্মদপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে, যেখানে চাঁদাবাজি, মারধর এবং অপহরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। সমকাল জানায়, ছয়জন গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে আজ আদালতে উপস্থিতি হয় এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অন্যান্য মন্তব্য

ধাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিক মন্তব্য দিতে অস্বীকার করেছেন (সমকাল)।