মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত আবার তীব্রতর হয়েছে, একাত্তর টিভি অনুযায়ী। তেহরান জানিয়েছে যে সাম্প্রতিক মাইন হামলায় দুটি তেলবাহী সুপারট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সময়ে সৌদি আরবের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী রিয়াদকে লক্ষ্য করে হুথি বিদ্রোহীদের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করেছে।
একাত্তর টিভি রিপোর্ট করেছে যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন নতুন ধ্বংসাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র ও বাঙ্কার-বাস্টার বোমা মেটায়নি, এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অনুযায়ী মার্কিন প্রশাসন ইরানের ওপর নতুন বিমান হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সপ্তাহান্তে হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই ইরানের ওপর সামরিক অভিযান চালাতে যাচ্ছে কিনা। ট্রাম্প কিছুটা অস্পষ্ট উত্তর দিয়েছেন, সম্ভাবনা থাকলেও চুক্তির সম্ভাবনাও উল্লেখ করেছেন।
তেহরান জানিয়েছে যে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলা সংঘাতের সূচনা করেছিল, এবং এরপর ইরানও আক্রমণ চালায়। হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে, এবং মার্কিন অবরোধে তেহরানের অর্থনীতি সংকটে পড়েছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রাষ্ট্র টেলিভিশনে হোয়াশিংটনের বিরুদ্ধে কূটনীতি ধ্বংসের অভিযোগ এনেছেন, এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা চুক্তি সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান।
বিএসএস অনুযায়ী, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন যে যুদ্ধের পুনরায় শুরু হলে ইরানের অবস্থান পরিবর্তন হবে না।
বিশ্লেষকরা বলছেন যে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনের কারণে হামলার সময়সূচি প্রভাবিত হতে পারে। ইসরাইলের নির্বাচন মঙ্গলবার, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ৩ নভেম্বর। ট্রাম্প পূর্বে নির্বাচনের আগে বড় সংঘাত এড়াতে বলেছিলেন, তবে সাম্প্রিক সামরিক প্রস্তুতি ও রণতরীর অস্ত্র সজ্জা যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়িয়েছে।
বৈশ্বিক তেলের মূল্য বাড়ছে, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে হামলার ঘটনা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে হুমকির মুখে ফেলেছে।






