দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে গত সপ্তাহে দেশের বাজারে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বেড়েছে, যা সীমিত আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতাকে আরও সংকুচিত করেছে।
খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে গত সপ্তাহে প্রতি মণ ডালে ১১০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। পাইকারি ব্যবসায়ীদের দাবি, ডালের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও স্বাভাবিক চাহিদা থাকলেও কিছু আমদানিকারক আন্তর্জাতিক বাজারের অজুহাত দেখিয়ে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়াচ্ছেন। তবে আমদানিকারকদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং রেট, ডলারের মূল্য এবং জাহাজ ভাড়া বাড়ার কারণে দাম বেড়েছে। চট্টগ্রাম ডাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এস এম মহিউদ্দিন জানান, একটি সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে বাজার।
এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে তেল, চিনি, আটা ও ডালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত সপ্তাহে রাজধানীতে ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল ৭৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দামও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে সবজি ও অন্যান্য পণ্যের চড়া দামের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে গ্রাহকরা জানিয়েছেন।
কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেছেন, শীতকালীন সবজি পুরোপুরি বাজারে না আসা পর্যন্ত স্বস্তি মেলার সম্ভাবনা কম। বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারকে সরবরাহ চেইন উন্নত করা এবং কর সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।


