২৯ অক্টোবর, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ চারজন কমিশনার ও ইসি সচিব ডিজিটাল মনিটরিংয়ের মাধ্যমে থাকুরগাঁও-১ আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন (একাত্তর টিভি)।

ব্রিফিংয়ে সিইসি জানান, তারা স্বচ্ছতা ও দৃশ্যমানতার ওপর জোর দিচ্ছেন; কোনো নেতিবাচক তথ্য পাওয়া যায়নি এবং ভোটাররা সকাল থেকে নির্বিঘ্নে ভোট দিচ্ছেন। নিরাপত্তা বাহিনীর টহলও ডিজিটাল পদ্ধতিতে তদারকি করা হচ্ছে।

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের পূর্ববর্তী অভিযোগগুলো গ্রহণ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে; স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তারা অভিযোগকারীদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছেন (একাত্তর টিভি)।

ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভোট শুরুর আধা ঘণ্টা আগে সনাতনী নারী ভোটারদের উপস্থিতি বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, বুড়িহাট উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে সকাল ৭:৩০টায় ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, এবং ঐ কেন্দ্রে মোট ৩,৬৮৭ ভোটার নিবন্ধিত (ঢাকা পোস্ট)।

ঢাকা পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে থাকুরগাঁও-১ আসনের তিনটি উপজেলায় মোট ১৮৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে: থাকুরগাঁও সদর (১১৩), রুহিয়া (৩৩) ও ভুল্লী (৩৯)। মোট ভোটার সংখ্যা ৫,১৫,৮৫৩, যার মধ্যে পুরুষ ২,৫৭,২১৯, নারী ২,৫৮,৬৩০ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ২৮৭ জন ভোটার (পুরুষ ২৪৯, নারী ৩৮) নিবন্ধন করেছেন (ঢাকা পোস্ট)।

কমিশন সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ গড়ে তোলার দায়িত্ব স্বীকার করে, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সকলকে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করতে আহ্বান জানায় (একাত্তর টিভি)।

এই তথ্য একাত্তর টিভি এবং ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী।