দেশ রূপান্তরসহ একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিন শেষে ভালো অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ। আলোর স্বল্পতায় নির্ধারিত সময়ের আগে খেলা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেটে ২১৩ রান সংগ্র করেছে স্বাগতিকেরা। দিনের মূল আকর্ষণ ছিলেন ওপেনার সাদমান ইসলাম, যিনি মাত্র ১ রানের আক্ষেপ নিয়ে ৯৯ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন।
ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে শুরুতেই জেইডেন সিলসের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ৭ রানে বিদায় নেন তানজিদ হাসান তামিম। দলীয় ৯ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। দেশ রূপান্তরের তথ্যমতে, এই ৫৯ রানের জুটির সময় মুমিনুল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। তিনি জোমেল ওয়ারিকানের বলে আউট হওয়ার আগে ২৮ রান করেন, তবে আজকের পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী মুমিনুলের রান ছিল ২৫।
দ্বিতীয় সেশনে অধিনায়ক শান্ত ১৯ রান করে রস্টন চেইজের সফল রিভিউয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরলে ১১২ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর তাওহীদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন সাদমান। ৯৫ বলে নিজের চতুর্থ টেস্ট ফিফটি ছোঁয়া এই ব্যাটার দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে সেঞ্চুরির দিকে এগোতে থাকেন। দেশ রূপান্তর জানায়, এর আগে ২০২৫ সালের এপ্রিলে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে ক্যারিয়ার সেরা ১২০ রান করেছিলেন সাদমান।
আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুশীলনে চোট পাওয়ায় এই ম্যাচে একাদশে ছিলেন না অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। তাওহীদ হৃদয় ৪২ রান করে চোট পেয়ে ‘আহত অবসর’ হয়ে মাঠ ছাড়ার আগে সাদমানের সঙ্গে ৮৮ রানের জুটি গড়েন। পরবর্তীতে লিটন দাসকে (৭*) সাথে নিয়ে দিনের বাকি খেলা সামাল দেন সাদমান। শেষ বিকেলে আলোকস্বল্পতার কারণে দুই দফায় খেলা ব্যাহত হয় এবং ৭৪ ওভারের মাথায় প্রথম দিনের খেলা সমাপ্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।






