সমকাল প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) জাপান ছাড়া অন্য কোনো বড় উন্নয়ন সহযোগী নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি দিয়েনি। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এর হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ পায়।

প্রথম প্রান্তিকে মোট ১২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একমাত্র জাপান ৩৫ লাখ ১০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে জাপানেরও কোনো প্রতিশ্রুতি ছিল না। বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), এশিয়ান অবকাঠামো উন্নয়ন ব্যাংক (এআইআইবি), চীন ও ভারতের মতো গুরুত্বপূর্ণ সহযোগীদের পক্ষ থেকে কোনো নতুন প্রতিশ্রুতি আসেনি।

বাকি প্রতিশ্রুতিগুলো এসেছে 'অন্যান্য' ক্যাটেগরির দেশ들 থেকে—মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে ১১৫ কোটি ডলার (দুটি ঋণ চুক্তি) এবং ইউরোপ থেকে ৬ কোটি ডলার (তিনটি অনুদান চুক্তি)। মোট দুটি ঋণচুক্তি ও ১১টি অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

ইআরডি কর্মকর্তারা মতে, এডিপি বাস্তবায়নের হার এযাবৎকালের মধ্যে সবচেয়ে কম হওয়ায় বড় সহযোগীরা নতুন ঋণ প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন না। এছাড়াও অর্থছাড়ও কমে গেছে—প্রথম প্রান্তিকে মাত্র ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ডলার অর্থছাড় হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪২.৩ শতাংশ কম।

অন্যদিকে, সুদাসলে পুরোনো ঋণ পরিশোধ দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। প্রথম প্রান্তিকে ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ডলার পরিশোধ করা হয়েছে, যার মধ্যে মূলধন ৮৬ কোটি এবং সুদ ৪৯ কোটি ডলার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমানে জাপান সফরে রয়েছেন, যেখানে আগামী ৫ বছরে ১০-১২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ ও বিনিয়োগ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ইআরডি জানিয়েছে।