প্রথম আলোর তথ্য অনুযায়ী, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম বাণিজ্যিক ও উন্নয়ন অংশীদার। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বছরে প্রায় সাড়ে ৩০০ কোটি ডলারের, যার মধ্যে রপ্তানি প্রায় ৪০ শতাংশ। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জাপানে রপ্তানি ১০১.২৯ কোটি ডলার ছিল, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১৩৬ কোটি ডলারে বৃদ্ধি পেয়েছে; ফলে এক দশকে রপ্তানি প্রায় ৩৫ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে আমদানি প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে প্রধানত ওভেন ও নিট পোশাক, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়, আর জাপান থেকে লোহা, ইস্পাত, যানবাহন ও যন্ত্রপাতি আমদানি হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জাপান থেকে আমদানি প্রায় ১৮৮ কোটি ডলার, যার মধ্যে লোহা ও ইস্পাত মোট আমদানির ৩৭ শতাংশ গঠন করে।

প্রথম আলোর মতে, জাপান থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নিট এফডিআই ৫২ লাখ ডলার হয়েছে, যার মধ্যে ট্রেডিং ও তৈরি পোশাক খাতে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ হয়েছে। এছাড়া, জাপানি সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়া জানিয়েছে যে আগামী পাঁচ বছরে বেসরকারি খাতে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ৬৩৫ কোটি মার্কিন ডলার) বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক প্রভাব

দেশ রূপান্তর প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা অর্থনীতিতে ধাক্কা দিচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান বিশ্বরাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু মধ্যপ্রাচ্য, যেখানে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব রয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির ওপর প্রভাব ফেলছে।

উল্লেখিত তথ্যগুলো প্রথম আলো ও দেশ রূপান্তর উভয়ই প্রকাশ করেছে; কোনো সংখ্যাগত বিরোধ দেখা যায় না।

উপরের তথ্যগুলো প্রথম আলোর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।