একাত্তর টিভি অনুসারে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পার্কিং ব্যবস্থা স্থায়ী করার দাবিতে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিক ও চালকদের ধর্মঘট মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়। হঠাৎ ধর্মঘটের ফলে জরুরি সেবা বন্ধ হয়ে রোগী ও স্বজনদের চরম কষ্ট হয়।
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ.কে.এম. ফরহাদ হোসেনের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির শীর্ষ নেতাদের বৈঠক হয়। বৈঠকে বলা হয়, হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য স্থায়ী পার্কিং বা নির্দিষ্ট স্থান বরাদ্দের কোনো সুযোগ নেই, তবে আশপাশের রাস্তায় পার্কিং নিয়ে ট্রাফিক পুলিশকে কোনো মামলা না করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
বৈঠকের পর অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে সমিতির নেতারা রোগীদের মানবিক দিক বিবেচনা করে ধর্মঘট সাত দিনের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবির স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য সমাধান না হলে কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।
অন্যান্য মিডিয়ার প্রতিবেদন
ইনকিলাব, দেশ রূপান্তর, ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা এবং চ্যানেল ২৪ সহ অন্যান্য আউটলেটের মতে, ধর্মঘটের স্থগিতকাল সাত দিন (৭ দিন) এবং এটি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাদল মাদবর (বা বাদল মাতবর) নিশ্চিত করেছেন। ইনকিলাবের প্রতিবেদনে রোগী ও স্বজনদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে, যেমন নারায়ণগঞ্জের মো. শাহীন তার ৭০ বছর বয়সী দাদি হালিমা বেগমের মৃতদেহ তিন ঘণ্টার বেশি সময়ে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে নিয়ে যাওয়ার সমস্যার কথা জানিয়েছেন। জাত্রাবাড়ির মো. মনির হোসেনের ২২ বছর বয়সী ভাই মো. রাসেলের মৃত্যু ও খুলনার আব্দুল আহাদের কিডনি হাসপাতালে স্থানান্তরের সময় অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ার বর্ণনা রয়েছে। হাসপাতালের কর্মচারীরা উল্লেখ করেছেন যে রোগী ও মৃতদেহ নিয়ে অটো-রিকশা, সিএনজি অটো-রিকশা ও পিকআপ ভ্যান ব্যবহার করা হয়েছে।
এই সব তথ্য একত্রে দেখায় যে পার্কিং দাবির পিছনে রোগী ও স্বজনদের কষ্ট বাড়ার পাশাপাশি সমিতি তাদের দাবির দ্রুত সমাধান না হলে কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।






