বাসসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাপানের সঙ্গে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি এবং পারস্পরিক স্বার্থে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর। টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সফরের প্রথম দিনেই প্রধানমন্ত্রী জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লীগের প্রতিনিধিদলের প্রধান ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই বৈঠকে বাণিজ্য বিস্তার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয় নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণও জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মারুবেনি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে তথ্যপ্রযুক্তি, জ্বালানি, সার কারখানা আধুনিকায়ন, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অবকাঠামো খাতে জাপানি বিনিয়োগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়। এ ছাড়া নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাসাকাওয়ার নৈশভোজেও প্রধানমন্ত্রী যোগ দেন।

হুমায়ুন কবীর উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় থেকে গড়ে ওঠা দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে বর্তমান সফর নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। ঢাকা টাইমস ও একাত্তর টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমান এবং উপ-প্রেস সচিব শাহাদাত স্বাধীনসহ দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।