সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে বান্দরবানের লামা উপজেলায় দুটি পৃথক স্থানে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা টাইমস অনুসারে, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের হেডম্যানপাড়া ও বড়ছনখোলা এলাকায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
প্রথমে, মং প্রু মারমা (বয়স ৪০) হেডম্যানপাড়া এলাকায় ফিরে আসার পথে বজ্রপাতের আঘাতে প্রাণ হারিয়ে যান। তিনি "নাইক্ষ্যংমুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি"-এ কর্মরত ছিলেন বলে জানা যায়। একই সময়ে, ১১ বছর বয়সী মোহাম্মদ সজিব বাড়ির বাইরে খেলাধুলা করার সময় বজ্রপাতের শিকার হন; পরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে মং প্রু মারমা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের হেডম্যান পাড়ার বাসিন্দা, যেখানে ঢাকা টাইমস ২ নম্বর ওয়ার্ডের হ্লাথুই পাড়া উল্লেখ করেছে। এছাড়া, ঢাকা পোস্টে সময়কে বিকেল ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে বলা হয়েছে, আর ঢাকা টাইমস ৫টার দিকে ঘটনার উল্লেখ করেছে।
পুলিশের মন্তব্যেও পার্থক্য দেখা যায়। ঢাকা টাইমস অনুযায়ী, কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) জামিল আহমদ আইনগত প্রক্রিয়ার পর মৃতদেহ পরিবারে হস্তান্তর হওয়ার কথা জানান। অন্যদিকে, ঢাকা পোস্টে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কাইছার হামিদ একই বিষয় উল্লেখ করেছেন।
উভয় সূত্রই জানিয়েছে যে মৃতদেহগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ার পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এই তথ্যগুলো ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।





