আজকের পত্রিকা অনুসারে, তাওহিদ হৃদয় ৬৬তম ওভারের পঞ্চম বল (জশুয়া বিশপের বোল) এ নন‑স্ট্রাইকের দিকে এগিয়ে গিয়ে রান নিতে না পারায় পা হোঁচট খেয়ে প্রান্ত বদল করেন। নন‑স্ট্রাইকের প্রান্তে পৌঁছানোর সঙ্গে সাথেই তিনি মাটিতে শুয়ে পড়েন এবং মেডিকেল কর্মীরা তৎক্ষণাৎ উপস্থিত হন। হৃদয় দাঁড়াতে না পারায় স্ট্রেচারে করে মাঠ ছেড়ে যান।

মাধ্যমিক সূত্রে চোটের সঠিক কারণ উল্লেখ করা হয়নি; তবে অনুমান করা হচ্ছে পা ক্র্যাম্প বা পেশির টান।

পূর্বের পারফরম্যান্স ও টেস্টের পটভূমি

হৃদয় পূর্বে ২৮ জুন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারেতে টেস্টে ডেবিউ করেন এবং দুই ইনিংসে মোট ১২ রান করেছেন। এই টেস্টে তিনি ৫০ রান নিকটবর্তী অবস্থায় চোটে ভুগে মাঠ ছেড়েছেন।

অন্যান্য সূত্রে পার্থক্য

ইনকিলাবের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে হৃদয় মাঠ ছাড়ার আগে ৪২ রান না করে ৮৪ রান করেছেন এবং সাদমানের সঙ্গে ১৮৫ রান (৮৮‑রানের জুটি) গড়ে তুলেছেন। তবে আজকের পত্রিকায় এই স্কোর উল্লেখ নেই।

দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে হৃদয় ৬৩তম ওভারে প্রথমবার ক্র্যাম্পে আক্রান্ত হন এবং ৬৫.৫তম ওভারে পুনরায় ক্র্যাম্পে ভুগে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছেড়ে যান। আজকের পত্রিকায় ওভার নম্বর ৬৬তম উল্লেখ করা হয়েছে, ফলে ওভার সংখ্যা সম্পর্কে পার্থক্য রয়েছে।

ম্যাচের অন্যান্য ঘটনা

ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্রুত গতি ও লাইন‑লেন্থের সঙ্গে সামনা করার জন্য জেডন সিলস ও শামার জোসেফের বোলিং উল্লেখ করা হয়েছে। রস্টন চেজ, ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক, পেসার আনতে চেয়েছিলেন, তবে আলোকস্বল্পতার কারণে অম্পায়ার অনুমতি দেননি। অম্পায়ার নিজেও আলোকস্বল্পতার কারণে মাঠ ছেড়ে যান।

চা বিরতির পর ফ্লাডলাইট জ্বালিয়ে কৃত্রিম আলোতে কিছুক্ষণ খেলা চালানো হয়, তবে আলোকস্বল্পতা বাড়ার ফলে ম্যাচ কর্মকর্তারা খেলা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন।

উপরের তথ্যগুলো আজকের পত্রিকা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আউটলেটের (ইনকিলাব, দেশ রূপান্তর, ইত্তেফাক) প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংকলিত হয়েছে।