সমকাল অনুযায়ী, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদি রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত আমদানি পাইপলাইন রয়েছে বলে জানিয়েছেন। তিনি রমজানকে কেন্দ্র করে বাজারে পণ্যের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই এবং এই মুহূর্তে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে স্পষ্ট করেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলাসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্য ও জাহাজভাড়া ওঠানামা আমদানি ব্যয় ও দেশীয় দাম নির্ধারণে প্রভাব ফেলে, তবে বর্তমান পাইপলাইনে যথেষ্ট পরিমাণ পণ্য রয়েছে বলে মন্ত্রী বাজার স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

এছাড়া, ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয় নিয়ে ব্যবসায়ীদের কোনো প্রস্তাব থাকলে তা নিয়ে আলোচনা চলছে; ছোলার আন্তর্জাতিক দাম সামান্য বাড়লেও আমদানিকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

এলসি (লেটার অফ ক্রেডিট) খোলার ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত বড় কোনো প্রতিবন্ধকতা রিপোর্ট করা হয়নি। কোনো আমদানিকর্তা যদি মার্জিন বা ব্যাংকিং জটিলতার সম্মুখীন হন, তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী মালয়েশিয়ার সঙ্গে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চুক্তি সম্পাদনের লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, ওমান, নিউজিল্যান্ড এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে অগ্রাধিকারবাহী বাণিজ্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনাও চলছে।

দেশ রূপান্তর, বাংলা ট্রিবিউন এবং বাসসও একই তথ্য প্রকাশ করে, যেখানে রমজানে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।