বার্তা২৪ অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ তুলে নির্বাচনের আগে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার প্রচেষ্টা চলছে বলে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন অভিযোগ করেন।

প্রতিবাদ ও দাবী

ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবর রাতে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফয়সল আমীন ১১-দলীয় ঐক্যজোটের নেতাকর্মীদের পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ তুলে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, এসব অভিযোগ যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

নির্বাচন তথ্য

ঢাকা পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মোট ১৮৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে, যার মধ্যে সদর ১১৩টি, রুহিয়া ৩৩টি এবং ভুল্লী ৩৯টি। মোট ভোটার সংখ্যা ৫১৬,১৩৮ জন, পুরুষ ২৫০,০৫৩, নারী ২৫৬,৫৭২ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৪ জন। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ২৮৭ জন (মহিলা ৩৮, পুরুষ ২৪৯)। ভোটগ্রহণ ২৯ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে।

প্রার্থীর প্রতিশ্রুতি

মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, ফলাফল যাই হোক না কেন তিনি তা মেনে নেবেন এবং গণতান্ত্রিক আদর্শে বিশ্বাস রাখেন। তিনি ভোটারদের বিভ্রান্তি হবে না বলে আশাবাদী, এবং ভোটারদের টাকা দেওয়ার অভিযোগও নাকচ করেন, উল্লেখ করেন যে বিএনপি এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়। একই সাথে তিনি বলেন, একই ধরনের অভিযোগ বিএনপির পক্ষ থেকেও করা হয়েছে।

উপনির্বাচনে ছয়জন প্রার্থী বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে: বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ও মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ; জামায়াত-ইসলামি ও সমমনা দলগুলোর মো. দেলাওয়ার হোসেন, হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম, মো. আবদুল আলীম নিজামী এবং হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক। ৫ অক্টোবর দলীয় সিদ্ধান্তে মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।