চ্যানেল আই অনুযায়ী, প্রয়াত চিত্রনায়ক মান্নার ব্যবহৃত গাড়ি মেরামতের সময় আগুন লাগার মামলায় তার পরিবারের ব্যবস্থাপক মো. মামুন মণ্ডল (২৯) ও টেকনিশিয়ান মো. সোহেল পাটওয়ারী (৩৭)কে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ জেল পাঠানোর আদেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা মো. ইয়াউর রহমান (এসআই) ভাটারা থানার অধীনে দুইকে আদালতে হাজির করে, প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ পাওয়া পর্যন্ত জেল রাখার আবেদন করেন।

মামলার পটভূমি

গাড়িটি ২০০৮ সালে মান্নার মৃত্যুর পর দীর্ঘদিন অব্যবহৃত ছিল এবং বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ভবনের নিচতলার গ্যারেজে রাখা ছিল। গাড়িতে তেল লিক হওয়ায় ভবন কর্তৃপক্ষ তা সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করে, তবে মান্নার স্ত্রী গাড়ি ম্যানেজার মামুনকে গ্যারেজে মেরামত করতে বলেন। মামুন টেকনিশিয়ান সোহেলকে নিয়ে গ্যারেজেই কাজ শুরু করেন। সোমবার সন্ধ্যা আনুমানিক ছয়টায় গাড়িতে আগুন ধরে পুরো গাড়ি পুড়ে যায়; পাশের একটি ব্যক্তিগত গাড়ি ও গ্যারেজের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, সিসিটিভি ক্যামেরা, গেট শাটার ও কিছু কাচও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মামলার এজাহারে ক্ষতিপূরণ প্রায় ৯০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম দাবি করেন, গাড়িতে ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন দেয়া হয়নি; মেকানিক্যাল ত্রুটির কারণে আগুন লেগেছে। তাদের জামিন আবেদন শোনার তারিখ বুধবার নির্ধারিত।

থাকুরগাঁও‑১ উপনির্বাচনের প্রতিবেদন

ইনকিলাবের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১১‑দলীয় জোট (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ) থাকুরগাঁও‑১ উপনির্বাচন সুষ্ঠু না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। জোটের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ২৮ অক্টোবর (বুধবার) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ই.এম. এম. নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকের পর এই বক্তব্য দেন। জোটের মতে, নির্বাচনী অভিযোগের ওপর সিইসির যথাযথ পদক্ষেপ না নেওয়া হলে তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে।

ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা ও বাংলা ট্রিবিউন উভয়ই জানিয়েছে যে থাকুরগাঁও‑১ উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকাল ৮টায় শুরু হবে এবং মোট ১৮৫টি ভোটকেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী ভোটগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। একাত্তর টিভির প্রতিবেদনে সিইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উল্লেখ করেছেন, ভোটগ্রহণে কোনো উদ্বেগের বিষয় নেই এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন।

উল্লেখযোগ্য যে, ইনকিলাবের জোটের সতর্কতা এবং একাত্তর টিভির সিইসির আশ্বাসে পারস্পরিক বিরোধ দেখা দেয়; একদিকে জোট নির্বাচনকে ‘আই‑ওয়াশ’ বলে সমালোচনা করেছে, অন্যদিকে সিইসি কোনো সমস্যার ইঙ্গিত দেন না।

এই দুই ভিন্ন ঘটনার তথ্য চ্যানেল আই, ইনকিলাব, ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা, বাংলা ট্রিবিউন ও একাত্তর টিভি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।