সমকাল অনুসারে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মিরপুর-১‑এ সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আড়াই ঘণ্টার উচ্ছেদ অভিযান চালায়। সমকালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযান বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২:৩০টা পর্যন্ত চলেছে এবং প্রায় দুই হাজার দোকান সরানো হয়েছে। একই সময়ে, ঢাকা টাইমসের রিপোর্টে অভিযানের সময়কাল ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে, যা সমকাল থেকে ভিন্ন।
উচ্ছেদকৃত দোকান ও ব্যবসায়ীর মন্তব্য
উচ্ছেদকৃত দোকানগুলোর মধ্যে শাহ আলী মাজার, শাহ আলী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ শপিং কমপ্লেক্স, ছিন্নমূল মার্কেট, ফেয়ার প্লাজা, মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট, বাগদাদা ও সনি হল অন্তর্ভুক্ত। ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন অভিযান পরিদর্শন করেন এবং ভবিষ্যতে শহরের অন্যান্য জঞ্জালযুক্ত স্থানে একই রকম উচ্ছেদ অভিযান চালানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
উচ্ছেদে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেন। সমকালে উল্লিখিত মো. মিলন নামে এক কাপড় ব্যবসায়ী বলেন, “আমি কাপড়ের ব্যবসা করি। এখন কী করব জানি না; আমাদের একটা ব্যবস্থা করে দিয়ে তারপর সরানো উচিত।” একইভাবে, সাগর নামে জুয়েলারি ব্যবসায়ীও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
হকারদের পুনরায় বসা
উল্লেখযোগ্য যে, উচ্ছেদ অভিযান শেষ হওয়ার অর্ধঘণ্টা পরে কিছু হকার আবার ফুটপাতে বসে দেখা যায়। সমকাল অনুসারে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ফল ব্যবসায়ী বলেন, “দোকানের মাল বিক্রি না হলে নষ্ট হয়ে যাবে; অন্তত বিক্রির সুযোগ দিতে হবে।”
পূর্বের উচ্ছেদ অভিযান ও সংঘর্ষ
এর আগে মিরপুর-১০‑এও একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছিল, যেখানে হকারদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঘটেছিল। এই তথ্য সমকাল এবং অন্যান্য প্রতিবেদন উভয়েই উল্লেখ করেছে।
উপরোক্ত তথ্য সমকাল, ঢাকা টাইমস এবং বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।






