ব্রাজিলের পরাজিত প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ফ্লাভিও বোলসোনারো আদালতের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ অমান্য করে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান, ইনকিলাব অনুযায়ী।
ব্রাজিলের বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে নির্বাচনে পরাজয়ের পর, সুপ্রিম কোর্ট অর্থ পাচার ও দুর্নীতি তদন্তের অংশ হিসেবে বোলসোনারোর পাসপোর্ট জমা দিতে এবং দেশত্যাগে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।
এই নির্দেশ অমান্য করে তিনি প্রথমে আর্জেন্টিনা ও পরে ইকুয়েডর হয়ে একটি ব্যক্তিগত চার্টার বিমানে মিয়ামি-ওপা লক্কা এক্সিকিউটিভ বিমানবন্দরে ২৮ অক্টোবর অবতরণ করেন, ইনকিলাব অনুযায়ী।
মিয়ামিতে পৌঁছানোর আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন যে তিনি বোলসোনারো পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেবেন, তাদের "ভালো মানুষ" বলে অভিহিত করেন এবং ব্রাজিলের নির্বাচনকে "সন্দেহজনক" ও "ভয়ংকর" বলে মন্তব্য করেন। ইনকিলাব অনুযায়ী, পরবর্তীতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এন্ট্রি ভিসা ইস্যু করার ঘোষণা দেয়।
ব্রাসিলিয়ায় লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ফ্লাভিওর পলায়নকে তীব্র নিন্দা করেন, বলেন যে তিনি আদালতের নির্দেশ মেনে দেশে থেকে আইনি লড়াই করতে পারতেন, ইনকিলাব অনুযায়ী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন যে বোলসোনারোর যুক্তরাষ্ট্রে গমন এবং মার্কিন প্রশাসনের সাদরে গ্রহণ লাতিন আমেরিকা ও ওয়াশিংটনের কূটনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে, ইনকিলাব অনুযায়ী।






