প্রথম আলো অনুযায়ী, ব্রাজিলের ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারো, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে স্বেচ্ছানির্বাসনের সিদ্ধান্ত নেন এবং এক্স‑এ একটি বিবৃতিতে নিজেকে দেশের ‘প্রকৃত নেতা’ বলে দাবি করেন। তিনি প্রথমে নিজেকে ‘নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট’ বলে উল্লেখ করেন, পরে সংশোধন করে ‘নেতা’ শব্দ ব্যবহার করেন।
ব্রাজিলের বামপন্থী লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা দ্বিতীয় দফার ভোটে জয়লাভ করে, প্রথম আলো উল্লেখ করে যে লুলা নির্বাচনের ফলাফলকে ‘গণতন্ত্রের সুরক্ষা’ হিসেবে তুলে ধরেছেন। লুলা ও সুপ্রিম কোর্টের ফলাফল বাতিলের দাবিকে অস্বীকার করা হয়েছে।
সমকালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্লাভিও বলসোনারো গোপনে ব্রাজিল ছেড়ে প্রথমে আর্জেন্টিনায় প্রবেশ করেন, পরে ইকুয়েডর হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান। তিনি গালফস্ট্রিম ৪ মডেলের ব্যক্তিগত জেট ব্যবহার করে মায়ামির ওপা‑লকা এক্সিকিউটিভ বিমানবন্দরে পৌঁছান। সমকাল উল্লেখ করে যে তিনি বিমানবন্দরে কালো বুলেটপ্রুফ ভেস্ট পরা অবস্থায় ছিলেন এবং কোনো সমর্থক উপস্থিত ছিলেন না।
ব্রাজিলের লিবারেল পার্টির সিনেট নেতা রোজারিও মারিনহো প্রথম আলোতে ফ্লাভিওকে ‘রাজনৈতিক নির্বাসনে’ থাকা ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং তার ‘কারচুপি’ অভিযোগে কোনো প্রমাণ না থাকায় পার্টি তা সমর্থন করতে পারে না বলে মন্তব্য করেন।
প্রথম আলোতে উল্লেখ আছে যে ফ্লাভিওয়ের বিরুদ্ধে মনি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে তদন্ত চলছে; সুপ্রিম কোর্ট তাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাসপোর্ট জমা দিতে আদেশ দেয়, তবে তিনি তা না দিলে কোর্ট তার পাসপোর্ট বাতিল করে এবং তিনি পরিবারসহ দেশ ছেড়ে যান।
ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এবং বাংলা ট্রিবিউনের তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাভিও দাবি করেন যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রার্থীকে সমর্থন করছিলেন, যদিও এই দিকটি অন্যান্য সূত্রে নিশ্চিত করা হয়নি।
সারসংক্ষেপে, ফ্লাভিও বলসোনারোর যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ‘ব্রাজিলের প্রকৃত নেতা’ দাবি, লুলার বৈধ জয়, এবং চলমান তদন্তের তথ্য বিভিন্ন সূত্রে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হয়েছে; প্রধান তথ্যগুলো প্রথম আলো, সমকাল, বাংলা ট্রিবিউন এবং অন্যান্য স্থানীয় মিডিয়ার রিপোর্টে ভিত্তিক।






