স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির ঐতিহাসিক প্যারেড গ্রাউন্ডে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ও ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর ব্যাচের ছয় মাস মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন, ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী।

মন্ত্রী পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও মানবিক আচরণে ‘জনগণের পুলিশ’ গড়ার আহ্বান জানান, বলেছেন জনগণের পাশে থেকে সেবা দেওয়া ও আস্থা অর্জনই পুলিশকে সত্যিকারের জনবান্ধব বাহিনী বানাতে পারে, ঢাকা টাইমসের মতে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন যে পুলিশকে ভয়ভীতি ও পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই সকল শ্রেণি‑পেশার মানুষের প্রতি আন্তরিক হতে হবে এবং আইনি সেবা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী।

মন্ত্রী আধুনিক প্রযুক্তি, বৈজ্ঞানিক তদন্ত ও ডিজিটাল ফরেনসিকের ব্যবহার বাড়িয়ে সাইবার অপরাধ, অনলাইন জালিয়াতি, আর্থিক প্রতারণা, মাদক, মানব পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন, ঢাকা টাইমসের মতে।

পুলিশ বাহিনীকে পুনর্গঠন করে দক্ষ, আধুনিক ও মানবিক সেবামুখী বাহিনীতে রূপান্তরের জন্য আইন প্রণয়ন, জনবল বৃদ্ধি, যানবাহন ক্রয়, প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো নির্মাণ ও লজিস্টিক সরবরাহে কাজ চলছে, ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী।

উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল মো. মাইনুল হাসান বিপিএম, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. রেজাউল আলম সরকার এবং রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি, প্রশিক্ষণার্থীদের অভিভাবক ও গণমাধ্যমকর্মী, ঢাকা টাইমসের মতে।

মন্ত্রী কুচকাওয়াজে প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করেন, ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী।

প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ব্যাচের বেস্ট সার্জেন্ট মোহা. ওমর ফারুক, বেস্ট একাডেমিক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ সাইফুল ইসলাম ও বেস্ট শ্যুটার মোহা. আসাদুজ্জামানকে সম্মানিত করা হয়, ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর ব্যাচের বেস্ট ক্যাডেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বেস্ট একাডেমিক মো. বোরহানুল ইসলাম, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ দেওয়ান গোলাম রসুল ও বেস্ট শ্যুটার মো. কামাল গনি, ঢাকা টাইমসের মতে।

মোট ২৪৬ জন প্রশিক্ষণার্থী, ৮৪ জন ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ব্যাচের ও ১৬২ জন ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর ব্যাচের, বাস্তব কর্মজীবনে প্রবেশ করেন, ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী।

চ্যানেল ২৪, ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা, আজকের পত্রিকা ও বাসস সহ অন্যান্য মিডিয়া একই ঘটনাটি প্রতিবেদন করেছে, তবে তারা মূলত একই তথ্য শেয়ার করেছে, ঢাকা টাইমসের মূল প্রতিবেদন অনুযায়ী।