বগুড়া জেলা পুলিশের টিএ (ভ্রমণ ভাতা) বিল-ভাউচার জালিয়াতি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। আত্মসাতের অভিযোগে জড়িত ৩১ পুলিশ সদস্যের মধ্যে ২৭ জন এরই মধ্যে দেড় কোটির বেশি টাকা ফেরত দিয়েছেন। তবে বাকি চার পুলিশ সদস্য ও হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর ফিরোজ আলমের কাছে এখনো প্রায় দেড় কোটি টাকা রয়েছে।
এ ঘটনায় হিসাবরক্ষণ অফিসের পাঁচজনের সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত করেছে মহাহিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ের তদন্ত কমিটি। অডিটর ফিরোজ আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে অপর চার কর্মচারীকে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আসাদুজ্জামান বলেন, পুলিশ অফিসের হিসাব সহকারী রাজিবুল ইসলামসহ চার পুলিশ সদস্য টাকা ফেরত না দিলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।
জানা গেছে, এক বছর ধরে পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদের কম্পিউটার আইডি ব্যবহার করে পুলিশ সদস্যদের টিএ বিল-ভাউচার জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাত করা হয়েছিল। ঘটনাটি গত ১৯ আগস্ট সকালে পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদের নজরে আসে।
বগুড়ায় আরও কিছু ঘটনায় পুলিশ জড়িত হয়েছে। শাজাহানপুরে কৃষি শ্রমিক টুলু মিয়ার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধুনটে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূ মুন্নি খাতুনকে হত্যা করে তার স্বামী নুর সালামকে আটক করা হয়েছে। এছাড়াও বালুবোঝাই ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেলচালক দয়াল চন্দ্র নিহত হন এবং করতোয়া নদী থেকে অটোরিকশাচালক মো. আসাদুলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।






