প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসসহ লিওঁ, তুলুজ ও মার্সেই সহ অন্যান্য শহরগুলোতে গত শনিবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভ মিছিলের শেষ দিকে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ ঘটেছে।
বিক্ষোভকারীরা জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, শিক্ষাব্যবস্থার অবনতি ও শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর চাপ সহ বিভিন্ন মাঙে আন্দোলন করছেন। শিক্ষার্থীদের পাশে শ্রমিক সংগঠন এবং ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনকারীরাও যোগ দিয়েছেন।
পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেছে এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে। দেশজুড়ে মোট ৫৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং চারজন পুলিশ কর্মকর্তা আহত हुए हैं।
ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানান, সংঘর্ষে জড়িয়ে যাওয়া চাইলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, গতকাল দেশজুড়ে ৩ লাখ ২০ হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন।
প্যারিসের একজন বিক্ষোভকারী জেরোম রদ্রিগেজ মন্তব্য করেন, ‘ফ্রান্সের অর্থনীতির অবস্থা খারাপ, কারণ দেশ পরিচালনা করছে অযোগ্য মানুষ। সাধারণ পরিবারগুলো সামান্য কয়েক সেন্টের জন্য হিমশিম খাচ্ছে।’
আন্দোলনের পটভূমিতে শিক্ষার্থীরা প্রথমে শিক্ষাব্যবস্থার অবনতি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পদ্ধতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নামেন। পরে শ্রমিক সংগঠন এবং ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনকারীরাও জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর দাবিতে যোগ দেন।
প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর সরকারের জন্য এই অস্থিরতা সংবেদনশীল সময়ে এসেছে। গত শুক্রবার ঋণমান নির্ধারক সংস্থা ফিচ ফ্রান্সের ঋণের ভবিষ্যৎ অবস্থান ‘নেতিবাচক’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ফ্রান্সের সরকারি ঋণ দেশের মোট জিডিপির প্রায় ১২০ শতাংশে পৌঁছেছে, ফলে সরকারি ব্যয় কমানোর চাপ বেড়েছে।
ফ্রান্সের এই বিক্ষোভ ইউরোপের অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে মুখোশধারী বিক্ষোভকারীদের দোকানে লুটপাটের খবর পাওয়া গেছে। ইতালিতে ও মানুষ রাস্তায় নেমেছে।






