প্রতি বুধবার মানিকগঞ্জের ঘিওর হাটে পাটের লেনদেন কোটি টাকার হয়, যা ঢাকা পোস্টে রিপোর্ট করা হয়েছে।
ঘিওর হাট, ধলেশ্বরী ও ইছামতী নদীর কাছাকাছি অবস্থিত, একসময় পাট বেচাকেনার প্রধান কেন্দ্র ছিল।
ঢাকা পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ব্রিটিশ আমল থেকে প্রতি বুধবার ঘিওরে হাট বসেছে এবং একসময় হাটের পাশে ছোটখাটো নদীবন্দর ছিল।
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে নতুন হাটবাজার গড়ে ওঠা এবং নদীভাঙনের ফলে ঘিওর হাটে পাটের সরবরাহ কমে গেছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অনুযায়ী, চলতি বছর মানিকগঞ্জ জেলায় ৪,৫৩০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৫০ হেক্টর বেশি, এবং পাট উৎপাদন ১৩,৭৫০ মেট্রিক টন হয়েছে।
পাট ব্যবসায়ী অসীম রায় বলেন, গত হাটে প্রায় ৮০ টন পাট কেনাবেচা হয়েছে এবং প্রতি মণ পাটের দাম ৪,৬০০ থেকে ৫,৩০০ টাকা।
উত্তম আইচ, যিনি ১৯৮৬ সাল থেকে পাট ব্যবসায় যুক্ত, জানান যে এখন প্রতি বুধবার ঘিওর হাটে গড়ে ৫ থেকে ৬ হাজার মণ পাট ওঠে।
কৃষক জামাল উদ্দিন ও নূর ইসলামও তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন, যেখানে তারা উল্লেখ করেছেন যে পাটের মান ও দাম কমে গেছে।
ঘিওর হাটের ঐতিহ্য বজায় রাখতে পাটের সরবরাহ বাড়ানো, পচানোর সমস্যার সমাধান এবং নদীভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগের প্রয়োজন, এটাই ঢাকা পোস্টে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে সমকাল অনুযায়ী কক্সবাজারে একটি প্রকল্পে ১০ বছরে কাজ মাত্র ৫৩ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে এবং মোট ব্যয় ৪১৫ কোটি ৫৮ লাখ ৫ হাজার টাকা হয়েছে।
সমকাল রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রকল্পের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ২২২ কোটি ৫৭ লাখ ২ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে, যা মোট ব্যয়ের ৫৩.৫৬ শতাংশ।
এই প্রকল্পে বাঁধ, রাস্তা ও স্লুইসগেট নির্মাণে বিলম্ব হয়েছে, যা সমকাল অনুযায়ী প্রকল্পের অগ্রগতি কমিয়ে দিয়েছে।






