ইনকিলাবের মতে, ৩০ অক্টোবর সকাল ১০টায় কুতুবদিয়া উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে একটি দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

কক্সবাজার জেলা জামায়াতের অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনকে গুরুত্ব দিতে আহ্বান জানান।

সমাবেশে কুতুবদিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর আ স ম শাহরিয়ার চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন এবং কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন বিশেষ অতিথি ছিলেন।

আনোয়ারী বলেন, “উপনির্বাচন পর্যায়ে যোগ্যতা, সততা, জনসম্পৃক্ততা ও জনসেবার মানসিকতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।”

সমাবেশে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সম্ভাব্য যোগ্য প্রার্থী বাছাই, তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়।

উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা নুরুল আমিন, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুস সাত্তার, মাওলানা উসমান গনি, মাস্টার হাবিবুল্লাহ, শ্রমিক নেতা মাওলানা আব্দুর রহমান, লেমশীখালী ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি রেজাউল করিম রাজু, বড়ঘোপ ইউনিয়ন সভাপতি আহাম্মদ নূর, উত্তর ধূরুং ও দক্ষিণ ধূরুং ইউনিয়ন সভাপতি ছৈয়দ আলম ও বেলাল হোসাইন, আলী আকবর ইউনিয়ন সভাপতি সাদেক হোসাইন, কৈয়ারবিল ইউনিয়ন সভাপতি মাস্টার উসমানসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।

বাংলা ট্রিবিউনের মতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত দুই বছরে শুধু রাজধানীতেই পাঁচটি রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।

ট্রিবিউন উল্লেখ করেছে যে, আওয়ামী লীগের গুলিস্তানের কেন্দ্রীয় ও ধানমন্ডিতে সভাপতির কার্যালয়ে একাধিকবার হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে, এবং কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ ও বাংলাদেশ জাসদ কার্যালয়েও আক্রমণ করা হয়েছে।

চ্যানেল ২৪ অনুযায়ী, মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার “জামায়াত নির্বাচনে হেরে গেলেই পাগলামি শুরু করে” বলে মন্তব্য করেছেন এবং নির্বাচনে হেরে গেলে জামায়াতের ‘পাগলামি’ শুরু হওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

উভয় প্রতিবেদনই রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।