বিবিসি বাংলা অনুযায়ী, আজকের দেশের प्रमुख পত্রিকাগুলোর শিরোনামে সৌদি আরবে হুতি বিদ্রোহীদের হামলার কারণে ফ্লাইট বাতিলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী আটকে পড়েছে।
মানবজমিনের খবরে বলা হয়েছে, ৮২টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় সৌদিগামী ও সৌদি ফেরত যাত্রী-স্বজনদের জটলা কমেছে, তবে টার্মিনাল এলাকায় তাদের উপস্থিতি বড়। অধিকাংশ আটকে যাত্রীরা ওমরাহ যাত্রী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিক। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের শ্রমবাজারের জন্য বড় ক্ষতি।
নিউ এইজ অনুযায়ী, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করেছে, যা ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন।
যুগান্তর লিখেছে, দেশে ৫০-৬০ লাখ ব্যাটারি চালিত রিকশা এবং ৩০-৩৫ লাখ বৈদ্যুতিক চুলার কারণে বিদ্যুত চাহিদার প্যাটার্ন বদলে গেছে। এখন দিনের চেয়ে মধ্যরাতে চাহিদা বেশি, যা সরকারকে উচ্চমূল্যের তেল-ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালাতে বাধ্য করছে।
প্রথম আলোর মতে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতার ঘোষণার বর্ণনা পরিবর্তন করা হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রায় ৩১ কোটি বই ছাপার কাজে লেগেছে।
সমকালে খবর, রাজধানীর চারটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের জন্য সরকারি হাসপাতালে রোগী ব্যবহার করা হবে, খরচ সরকার বহন করবে।
আজকের পত্রিকা অনুযায়ী, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী প্রস্তুতি নিচ্ছে, তবে এনসিপি নিজস্ব সাংগঠনিক সক্ষমতা অনুযায়ী লড়বে।
বণিক বার্তা জানায়, গত পাঁচ বছরে দেশে চিনির ব্যবহার প্রায় ৩৩ শতাংশ কমেছে। যুক্তরাষ্ট্র কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ মৌসুমে ২৭ লাখ ৬৭ হাজার টন চিনি ব্যবহার ছিল, যা ২০২৫-২৬-এ ১৮ লাখ ৬৩ হাজার টনে সীমিত হওয়ার প্রাক্কলন।
কালের কণ্ঠে আইএমএফের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রতিবেদনের হवाले বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.২ শতাংশে নেমে যেতে পারে এবং গড় মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
নয়াদিগন্ত লিখেছে, বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার চাপে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে দ্বিমুখী প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রধান বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধি থেমে গেছে, তবে স্পেন ও নেদারল্যান্ডসের মতো বাজারে বৃদ্ধি হচ্ছে।
দ্য ডেইলি স্টারের খবরে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, সার ভর্তুকির অর্ধেক বড় জমিদাররা পান, কিন্তু ক্ষুদ্র কৃষকরা মাত্র ১৩ শতাংশ পান। বিশ্বব্যাংক ইলেকট্রনিক ভাউচারের মাধ্যমে ক্ষুদ্র কৃষকদের সরাসরি সহায়তার সুপারিশ করেছে।




