প্রমথোম আলো ইংরেজি অনুযায়ী, সৌদি আরবের ধারানে আরামকো কোম্পানির একটি প্রশাসনিক ভবনে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হৌতি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত লেগে সীমিত অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, তবে কোনো প্রাণহানি বা গুরুতর আঘাতের রিপোর্ট নেই।
সৌদি গৃহ রক্ষা সংস্থা বুধবার জানিয়েছে, রিয়াদ শহরে আটকানো দুটি হৌতি ক্রুজ মিসাইলের ধ্বংসাবশেষে দুই নারী, এক পুরুষ এবং এক শিশুকে আহত করা হয়েছে; মোট চারজন আহত হয়েছে এবং ১৫টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোটের একটি মুখপাত্র মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রিয়াদসহ বেশ কয়েকটি স্থানে মিসাইল আটক করার কথা জানিয়েছিলেন। জোটের পক্ষ থেকে ইয়েমেনের পশ্চিমে তেল সাইটে আক্রমণও করা হয়েছে, যার লক্ষ্য হৌতি গোষ্ঠীর যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে সমর্থনকারী সুবিধা।
অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ঘটনা
ইয়েমেনের সানায় এবং ধামার ও সাদা প্রদেশে তেল সুবিধা লক্ষ্য করে আক্রমণ করা হয়েছে। রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক এক বিস্ফোরণ ২০১৫ সালের পর সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা ঘটায়, যার ফলে ১৩ জন নিহত হয়।
ইন্টারন্যাশনাল মোনিটরি ফান্ডের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই বছর সৌদি আরবের জিডিপি ৩.৩ শতাংশ হ্রাস পাবে। একই সঙ্গে, হৌতি গোষ্ঠী রেড সি ও হরমুজ স্ট্রেইটে তেল ট্যাঙ্কারেও আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ইয়েমেনে সন্দেহজনক কলেরা কেস তিন সপ্তাহে তিনগুণ বেড়েছে, যা স্বাস্থ্যসেবার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হৌতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সৌদি আক্রমণে যুক্ত হওয়ার কথা বিবেচনা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন; হৌতি গোষ্ঠীর রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল বুখাইতি যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি দিয়ে আমেরিকান স্বার্থকে লক্ষ্য করার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এই তথ্যগুলো প্রমথোম আলো ইংরেজি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।




