নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম এওজবালিয়া গ্রামে শুক্রবার দুপুরে এক বন্ধ ঘরের মেঝেতে ৫৫ বছরের একটি নারীর লাশ পাওয়া গেছে। নিহত নারীর নাম ফয়েজের নেছা। তিনি গ্রামের মো. দুলালের স্ত্রী ছিলেন।

প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সকাল থেকে ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় এবং ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় দুপুরে এক প্রতিবেশী নারী দরজা ধাক্কা দিলে নারীর লাশ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন জমা হন এবং সুধারাম থানাকে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে বিকেলে সুধারাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পুলিশ এখনও নিশ্চিতভাবে বলতে পারছে না মৃত্যু কীভাবে হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও মৃত্যুকে लेकर সন্দেহ রয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত এওজবালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. বেলাল হোসেন বলেন, তিনি বিকেল পৌনে চারটার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছেন। বাইরে থেকে ঘরের ভেতরে লাশ পড়ে থাকতে দেখেছেন। উপস্থিত লোকজনের কাছ থেকে শুনেছেন, নারীর মুখে আঁচড়ের দাগ ও গলায় কালচে দাগ ছিল। পুলিশও বিষয়টি দেখেছে বলে জানান তিনি।

সুধারাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তুষ্টা লাল বিশ্বাস জানান, বনিবনা না থাকায় স্বামী তাঁর সঙ্গে থাকতেন না। দুই ছেলে ঢাকায় এবং তিন মেয়ে চট্টগ্রামে থাকেন। ফয়েজের নেছা বসতঘরে একা থাকতেন।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, নারীর শরীরে পুরোনো কালচে দাগ রয়েছে, যা অনেকের শরীরেই থাকে। পরিবারটি দরিদ্র। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।