প্রথম আলোর প্রকাশিত কলাম অনুযায়ী, তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ভারত ও চীনের ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েনের সম্মুখীন হয়েছে। সম্প্রতি এ প্রকল্প নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেরও কিছু আগ্রহ দৃশ্যমান হয়েছে। গত ৩০ আগস্ট মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন সস্ত্রীক লালমনিরহাট ও নীলফামারীতে তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প পরিদর্শন করেন। এ সময় ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তারাও তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তির সঙ্গে এই সফরের সম্পর্ক রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য বাংলাদেশের বাজারে বিশেষ করে সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত বড় প্রকল্পের ঠিকাদারিতে সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জোরালো করা হয়েছে। প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার তিস্তা প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের এই আগ্রহ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

কলামে আরও উল্লেখ করা হয়, তিস্তা নদীর পানি সংকট ও চীনা প্রতিষ্ঠান পাওয়ারচায়নার প্রস্তাবিত প্রকল্প নিয়ে নানা কারিগরি ও অবাস্তব দিক রয়েছে। প্রাকৃতিক কারণে বিনুনি প্রকৃতির তিস্তাকে এক খাতবিশিষ্ট নদীতে রূপান্তর এবং নদী সংকুচিত করার পরিকল্পনা টেকসই নয় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। ভারত ও চীনের ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রবেশ তিস্তা সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে বলে প্রথম আলোর নিবন্ধে উঠে এসেছে।