ডয়চে ভেলে বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিমবাহ ধস থেকে আকস্মিকভাবে শুরু হওয়া ভয়াবহ বন্যায় নেপালে অন্তত ৩৫০ জন নিহত হয়েছেন এবং ১৩০০-র বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। বুধবার ভোতেকোশি নদীর উপনদী লেন্দে খোলা-তে এই বন্যা দেখা দেয়, যার ফলে কাদা ও পাথরের প্রবল স্রোতে জনবসতি ভেসে যায়।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ-ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটিতে এখনো ৮০০-র বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যার মধ্যে ৬০০ জনই বিদেশি নাগরিক। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, নেপালে ২৮৮ জন ভারতীয় নাগরিকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও জার্মানির নাগরিকরাও নিখোঁজ রয়েছেন। চীনের সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি এবং চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বত অঞ্চলেও বহু মানুষ নিখোঁজ ও আটকা পড়েছেন।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নতুন বিপর্যয়ের বিষয়ে সতর্ক করে জানিয়েছে, বন্যার পানিতে সৃষ্টি হওয়া একটি হ্রদ ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উদ্ধারকাজ চলাকালীন নেপাল পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে জানিয়েছেন যে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বিভিন্ন দেশ নেপালকে সহায়তার জন্য এগিয়ে এসেছে।