ডয়চে ভেলে বাংলা অনুসারে, হুতি গোষ্ঠী পুনরায় সৌদি আরব জুড়ে মিসাইল আক্রমণ চালায়। এই আক্রমণে আরামকো (Aramco) এর দাহরান শহরের দপ্তরে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, তবে কোনো প্রাণহানি রিপোর্ট করা হয়নি। দেশের শক্তি মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, "এই আগুনে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।"

রয়টার্সকে জানানো সূত্রের মতে, দপ্তরে একটি ব্যালিস্টিক মিসাইলও পৌঁছেছে। সৌদি আরবের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম একাধিক মিসাইল আটক করেছে, যার মধ্যে রাজধানী রিয়াদের দিকে আসা মিসাইলও অন্তর্ভুক্ত। হুতিদের আক্রমণের পর রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অন্তত সপ্তাহান্ত পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

কাতার এয়ারওয়েজ, এতিহাদ, লুফথানসা ও এয়ার ফ্রান্স‑কেএলএমসহ বেশ কয়েকটি এয়ারলাইন সৌদি আরবের বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করেছে। ডয়চে ভেলে বাংলা জানায়, মোট ৬১টি ফ্লাইট (২২টি সরাসরি ও ৩৯টি ট্রানজিট) বন্ধ হওয়ায় প্রায় ৮,৩৮১ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।

হুতিদের মিসাইল ও ড্রোনের হামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জন নিহত এবং ৩০০‑এর বেশি আহত হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, হুতিরা এক হাজার কিলোমিটারের বেশি উচ্চতায় উড়ে এমন মিসাইল ব্যবহার করে, যা বর্তমান এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের জন্য ধরা কঠিন। এছাড়া, তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল উড়ানের সময় দিক পরিবর্তন করতে সক্ষম।

সৌদি এনার্জি মন্ত্রী প্রিন্স আব্দুল আজিজ বিন সালমান উল্লেখ করেছেন, আক্রমণ গুরুতর এবং দেশের প্রতিক্রিয়াও ততই কঠোর হবে। এই সংঘাতের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি দুই ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরান মধ্যস্থতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।