প্রথম আলো অনুযায়ী, দণ্ডবিধি ১২৪ক ধারার সংবিধানিক বৈধতা নিয়ে রিট (বিচারিক রিভিউ) সরাসরি খারিজ করা হয়েছে। বিচারপতি রাজিক‑আল‑জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ৩১ আগস্ট পূর্ণাঙ্গ আদেশ প্রকাশ করে।

আদালত চার পৃষ্ঠার আদেশে উল্লেখ করেছে যে, রিট আবেদনকারীর (আইনজীবী ইশরাত হাসান) রিটে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকায় এবং ১২৪ক ধারার প্রয়োগে কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ না থাকায় রিটটি সরাসরি খারিজ করা হয়েছে।

আদালত উল্লেখ করেছে যে, সংবিধানের ধারা ৩৯(১) ও (২) অনুসারে চিন্তা‑বিবেক ও বাক্স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে, তবে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে। রিটে এই যুক্তিসংগত বিধিনিষেধের প্রয়োগের প্রশ্ন তোলা হলেও, রিটে কোনো নির্দিষ্ট উদাহরণ বা অভিযোগ না থাকায় আদালত রিট প্রত্যাখ্যান করেছে।

আদালতে রিটের পক্ষে আইনজীবী ইশরাত হাসান নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জামিলা মমতাজ উপস্থিত ছিলেন। রিট আবেদনকারী ইশরাত হাসান রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।