Daily Observer অনুযায়ী, বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (BGMEA) এর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেছেন, শ্রমিক অশান্তি, বিশৃঙ্খলা ও ভ্যান্ডালিজম চলতে থাকলে কারখানা বন্ধের ঝুঁকি বাড়বে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “প্রতিটি সদস্য প্রতিদিন কারখানা চালাতে চায়। আমরা এই ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছি কারখানা চালু রাখার জন্য। কিন্তু উপযুক্ত পরিবেশ ছাড়া উৎপাদন অসম্ভব।”

Daily Observer আরও জানায়, সরকার ইতিমধ্যে গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কারখানা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী তৈরির উদ্দেশ্যে।

শ্রমিকদের মজুরি দাবির প্রেক্ষাপট

প্রথম আলো অনুযায়ী, সাম্প্রতিক শ্রমিক আন্দোলনে ন্যূনতম মজুরি ১২,০০০ টাকার থেকে ৩০,০০০ টাকায় বাড়ানোর দাবি উঠেছে।

এই দাবির ফলে আশুলিয়ায় ৫০টিরও বেশি পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে শ্রমিকরা।

প্রথম আলো উল্লেখ করেছে যে, ১৫ অক্টোবর নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হলেও কার্যকর উদ্যোগে দেরি হয়েছে।

মজুরি বাড়লে ছোট ও মাঝারি কারখানার উৎপাদন ব্যয় বাড়বে, যা রপ্তানি প্রতিযোগিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

BGMEA ও শ্রমিকদের দাবির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা এখন শিল্পের প্রধান চ্যালেঞ্জ।