প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় এবার উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন এবং গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দেশে উচ্চশিক্ষায় মোট আসন রয়েছে প্রায় ১৪ লাখ ৯২ হাজার। সে হিসেবে উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও উচ্চশিক্ষায় ৮ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি আসন খালি থাকতে পারে।

প্রথম আলোর তথ্যে আরও জানা যায়, এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থীকে আগামী এক মাসের মধ্যে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এস এম হাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উভয়কেই মানসম্মতভাবে টিকিয়ে রাখতে হবে এবং উচ্চশিক্ষার আসনগুলোর অনুমোদনের বিষয়টি পরিকল্পিত ছিল কি না, তা পুনর্বিন্যাস করা দরকার। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীই উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ পাবেন।

এদিকে সমকালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে টাঙ্গাইলে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ছয়টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো গোপালপুরের খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমি, শিমলা পাবলিক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গোপালপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সখীপুরের সূর্য তরুণ শিক্ষাঙ্গন আবাসিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ভূঞাপুরের অলোয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং নাগরপুরের ইসলামাবাদ দারুস সুন্নাহ আলিম মাদ্রাসা। টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা সমকালকে জানান, শতভাগ ফেল করা এসব প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে এবং লিখিত জবাব পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।