ইনকিলাবের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খুলনা মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবিরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে তাঁর নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান 'হিল ক্যান্টিনে' এ ঘটনা ঘটে। নিহত হুমায়ুন কবির সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে।
স্থানীয় ও ইনকিলাবের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ঘটনার সময় হুমায়ুন কবির তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসে ছিলেন। সে সময় দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে নিহতের স্বজন সৈয়দ দিদারুল করিম বিপ্লবের অভিযোগের বরাত দিয়ে ইনকিলাব জানায়, ছাত্রদল নেতা আরাফাত ও তাঁর সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এই হামলা চালিয়েছেন।
অপরদিকে সমকাল ও ঢাকা ট্রিবিউন বাংলার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বাকিতে ফ্রিজ কেনা এবং বকেয়া টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধ বা দেনাপাওনার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। সমকালের ভাষ্য অনুযায়ী, খুলনা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় জানিয়েছেন যে বকেয়া টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা জানিয়েছে, ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরাফাত হোসেনের সঙ্গে দেনাপাওনার বিরোধের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে। দেশ রূপান্তর ও আলোকিত বাংলাদেশ জানিয়েছে, নিহত হুমায়ুন কবির রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে নিজ বাসায় বসবাস করতেন এবং হিল ক্যান্টিনের মালিক ছিলেন।






