প্রথম আলো অনুসারে, গত শনিবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। মোট ১,০৪৮,৫৩০ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, যার মধ্যে ৫,৪১,২৪৯ জন পাস করেছেন; অর্থাৎ গড় পাসের হার ৫১.৬২%। এটি গত বছরের ৫৭.১২% এবং ২০২৪ সালের ৭৫.৫৬% থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
জিপিএ‑৫ (সর্বোচ্চ গ্রেড) প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৫,৯৪৮, যা পূর্ববছরের ৬৩,২১৯ থেকে ২৭,২৭১ কমে এসেছে। মোট জিপিএ‑৫ প্রাপ্ত পুরুষ শিক্ষার্থী ১৮,১৫৫ এবং নারী শিক্ষার্থী ১৭,৭৯৩।
বোর্ড별 পাসের হার ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৬১.৮০% এবং বরিশাল বোর্ডে সর্বনিম্ন ৪৪.৮৪%। অন্যান্য বোর্ডের হার: রাজশাহী ৪৫.০৬%, কুমিল্লা ৪৮.০৪%, যশোর ৪৪.৯২%, চট্টগ্রাম ৫২.০৭%, সিলেট ৫০.৯০%, দিনাজপুর ৪৫.৯৮% এবং ময়মনসিংহ ৫১.৪৪%।
ইংরেজি বিষয়ের পাসের হার বিশেষভাবে কম; ঢাকা বোর্ডে ৭৩.৬২% হলেও অন্য সব বোর্ডে ৫৪% থেকে ৬৬% এর মধ্যে। আইসিটি (ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি) বিষয়েও সব বোর্ডে পাসের হার ৮০% এর নিচে।
লিঙ্গভিত্তিক পার্থক্য দেখা যায়: নারী শিক্ষার্থীর পাসের হার ৫৫.৪৫% এবং পুরুষের ৪৭.১৪%। এক বা দুই বিষয় অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য এক মাসের মধ্যে শুধুমাত্র অকৃতকার্য বিষয়গুলো পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকবে। শিক্ষামন্ত্রী এ.এইচ. মিলন ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এই ব্যবস্থা সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন।
প্রশ্নপত্রে কিছু ত্রুটি ও অসঙ্গতি প্রকাশ পেয়েছে; পদার্থবিজ্ঞানের দুটি প্রশ্নে ভুল স্বীকার করে পূর্ণ নম্বর প্রদান করা হয়েছে। পুনঃপরীক্ষার তারিখ, ফরম জমা এবং ফি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ৩ নভেম্বরের মধ্যে জানানো হবে।
এই তথ্য প্রথম আলো থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।






