ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পছন্দের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে না হওয়ায় বাবাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা শ্রীয়ত উল্লাহকে হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ডের রায় রদ করে খালাস দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য ইত্তেফাকের অনুসারে।
মামলার পটভূমি
২০০৫ সালের ১৩ মার্চ মধ্যরাতে গফরগাঁও উপজেলার ডুবাইল গ্রামেই শ্রীয়ত উল্লাহ তার নিজের বাড়িতে বাবা ইব্রাহিম খলিল উল্লাহকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। মা নাসিমা খাতুনকে বাধা দেওয়ার সময় একই অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। আহত বাবা-মাকে পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়; সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ ১৪ মার্চ মারা যান।
পরদিন, ১৫ মার্চ, শ্রীয়ত উল্লাহয়ের আরেক ভাই সাদিকুল্লাহ গফরগাঁও থানায় তার বাবার হত্যার জন্য মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর ২০১৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা জজ মো. নুরুল আমিন বিপ্লব শ্রীয়ত উল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
হাইকোর্টের রায়
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে শ্রীয়ত উল্লাহকে খালাস দেয়। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোস্তফা সারওয়ার, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমিন সিদ্দিকী, মীর মনিরুজ্জামান, সোলাইমান হাওলাদার ও মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে শ্রীয়ত উল্লাহর প্রতিরক্ষায় এ কে এম ফজলুল হক খানকে আইনজীবী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে একই রকম মামলায় ফজলুল হক খান ফরিদ নামের আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন বলে উল্লেখ আছে; এই নামের পার্থক্য সম্পর্কে যাচাই প্রয়োজন।
চ্যানেল ২৪ এবং অন্যান্য স্থানীয় মিডিয়ার প্রতিবেদনেও হাইকোর্টের রায় ও বিচারকমণ্ডলীর গঠন একইভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই সব তথ্য ইত্তেফাকের অনুসারে সংগ্রহ করা হয়েছে।






