ঢাকা টাইমসের মতে, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১ উত্তরা পশ্চিম থানা ও ভাটারা থানার এলাকায় একাধিক অপারেশন চালিয়ে চীনে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানব পাচার করা ১২ নারীকে উদ্ধার করেছে।
এসআরবি-১ প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ আছে যে, ২৬ অক্টোবর উত্তরা পশ্চিম থানার যমযম টাওয়ার‑সংলগ্ন এলাকায় দুজন নারী (মেমাচি মারমা ও মাংশানু মগনি) প্রথমে উদ্ধার করা হয়; তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভাটারা থানার একটি বাসায় সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আরও দশজনকে মুক্ত করা হয়।
উদ্ধার হওয়া নারীদের মধ্যে দুজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য, যার একজনের বয়স ১৫ বছর। অন্যান্য দশজনের নাম হলেন রেখা চাকমা, ক্যানচি চাকমা, বিরুপতি চাকমা, পূণ্যরেখা চাকমা, চাইছাইও মারমা, কৃষ্টিনা রোয়ালময় বৈল্টুং, পুষ্পিতা চাকমা, পিংকি চাকমা, ববিতা চাকমা ও আদর্শী চাকমা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নারীরা জানান যে, তাদেরকে চীনে উচ্চ বেতনের চাকরি ও বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হবে বলে প্রলুব্ধ করা হয়েছিল; এরপর বৈধ ভ্রমণ নথি ও পাসপোর্ট ছাড়া বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে একটি বাসায় জোরপূর্বক আটকে রাখা হয় এবং শারীরিক‑মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়।
সমকালের প্রতিবেদনে একই ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে সেখানে প্রথম দুই নারীর উদ্ধার সময়কে সোমবার বিকেল ৩টায় নির্দিষ্ট করা হয়েছে, যেখানে ঢাকা টাইমসের তথ্য শুধুমাত্র তারিখ (২৬ অক্টোবর) উল্লেখ করেছে। উভয় সূত্রই জানায় যে, চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার ১৮ অক্টোবর করা সাধারণ ডায়েরি (নম্বর ১২৩৮) অনুসরণ করে ভাটারা এলাকায় বাসায় অভিযান চালানো হয়েছিল।
এসআরবি-১ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারিশাহ আলমের নিশ্চিতকরণ অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত নারীদের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পরিবারে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগীদের পরিবার মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি এসআরবি-১ প্রকাশ করেছে।






