গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা (ওরফে মুহিন) হত্যার মামলায় গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালত বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) রায় ঘোষণা করেছে। আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম রায়ে আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লাকে মৃত্যুদণ্ড এবং শাওন মোল্লাকে আজীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে অতিরিক্ত এক বছরের কারাদণ্ড আরোপ করা হয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় দুই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন, তবে আজীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত শাওন মোল্লা পলাতক অবস্থায় রয়েছেন। মামলার আরেকটি আসামি, লেয়াকত আলী মোল্লা, আদালত দ্বারা মুক্তি পেয়েছেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের ১২ বছর বয়সী তালহা (মুহিন) মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবার বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়ার পর ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের বাড়িতে থাকা একটি ট্রাঙ্ক থেকে শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মানজুরুল ইসলাম ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর রায় ঘোষণার সময় মৃত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম এবং রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী, অ্যাডভোকেট এম জুলকদর রহমান, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম।
এই তথ্য ঢাকা টাইমসের অনুসারে এবং অন্যান্য আউটলেটের (ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা, ইনডিপেনডেন্ট টিভি, বাসস, চ্যানেল ২৪) প্রতিবেদনেও একইভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।






