ঢাকা টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে শাশুড়ি জাহানারা বেগমের হত্যার অভিযোগে জামাতা মো. অলিউর রহমান অলি (বয়স ৪২)কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ১০,০০০ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ছয় মাসের অতিরিক্ত কারাদণ্ড আরোপ করা হয়েছে।
রায়টি ২০২৬ সালের ২৮ অক্টোবর বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (১ম) আদালতের বিচারক কাঁকন দে দ্বারা ঘোষিত হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি মাধবপুর উপজেলার তুলশীপুর (অলিপুর) গ্রামের মো. ইউনুছ আলীর ছেলে হিসেবে পরিচিত। আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. মুখলেছুর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৯ মে সকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জাহানারা বেগমকে স্বর্ণালংকার কেনার কথা দিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে যান এবং এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। ১ জুন চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ওয়াচ টাওয়ার দক্ষিণ পাশে বেতবাগান থেকে এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে মৃতের ছেলে মরদেহটি তার মায়ের বলে শনাক্ত করেন, ফলে তিনি মো. মিজানুর রহমান নামে বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের তদন্তের পর ১৪ জানুয়ারি ২০১৯-এ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের ১৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের পর, অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. গুলজার আহমেদ খান মামলাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আজকের পত্রিকা একই তথ্য পুনরায় প্রকাশ করে এবং অতিরিক্তভাবে উল্লেখ করেছে যে একই সময়ে হবিগঞ্জে অন্যান্য অপরাধের খবরও প্রকাশিত হয়েছে, যেমন আইফোন ১১-এর লোভে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ এবং অন্যান্য দুর্ঘটনা। তবে শাশুড়ি হত্যার মামলায় উপরের তথ্যই প্রধান ও নিশ্চিতকৃত বিবরণ।
উল্লেখ্য, উপরের সব তথ্য ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে এবং অতিরিক্ত তথ্য আজকের পত্রিকা থেকে নেওয়া হয়েছে।






