বাংলা ট্রিবিউনের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবহারকারীর মৃত্যুর পরও ব্যক্তিগত ছবি, ইমেইল ও নথির মতো ডিজিটাল তথ্য অনলাইনে থেকে যেতে পারে। তবে অ্যাকাউন্ট ও এসব তথ্যের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের নীতিমালা এবং ব্যবহারকারীর আগে নেওয়া পদক্ষেপের ওপর। গুগল ও অ্যাপল উভয় প্রতিষ্ঠানই অ্যাকাউন্ট ব্যবস্থাপনার সুযোগ রাখলেও তাদের নিয়মে রয়েছে ভিন্নতা।

গুগলের ‘ইনঅ্যাকটিভ অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার’ সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট সময় অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় থাকলে তা মুছে ফেলা কিংবা সর্বোচ্চ ১০ জন বিশ্বস্ত ব্যক্তির সঙ্গে তথ্য ভাগ করে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন। আগে থেকে নির্দেশনা না থাকলে গুগল সাধারণত দুই বছর নিষ্ক্রিয় থাকা অ্যাকাউন্ট মুছে দিতে পারে। পরিবারের সদস্যরা অ্যাকাউন্ট বন্ধের অনুরোধ জানাতে পারলেও সংরক্ষিত তথ্য পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকে না।

অন্যদিকে, অ্যাপল ব্যবহারকারীরা ‘লিগ্যাসি কনট্যাক্ট’ সুবিধার মাধ্যমে সর্বোচ্চ পাঁচজনকে মনোনীত করতে পারেন। মনোনীত ব্যক্তি অ্যাকসেস কী ও মৃত্যুসনদ জমা দিয়ে ছবি, বার্তা, নোট ও ফাইলের মতো নির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। তবে কেনা গান বা বইয়ের প্রবেশাধিকার মেলে না এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য তিন বছর সময় দেওয়া হয়। আগে থেকে কনট্যাক্ট নির্ধারণ করা না থাকলে আইক্লাউড অ্যাকাউন্ট এক বছর নিষ্ক্রিয় থাকার পর সতর্কবার্তা পাঠিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে তা মুছে ফেলা হতে পারে।