ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর রোডের কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের মাঠসংলগ্ন এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ১০ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মী মোটরসাইকেলে করে আসেন। তারা ব্যানার প্রদর্শন করার পাশাপাশি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করেন।

ঘটনাস্থলে ধানমন্ডি মডেল থানার ওসি মো. ফজলে আশিক দ্রুত উপস্থিত হন। তিনি জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডের পাশে পূর্ব ও পশ্চিম পাশের রাস্তায় মোট চারটি ককটেল ছোড়া হয়। এর মধ্যে পশ্চিম পাশের রাস্তায় একটি বিস্ফোরিত হয়। দুর্বৃত্তরা ওসিকেও লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করেন, কিন্তু তিনি কৌশলে নিজেকে রক্ষা করেন। এ সময় নাজমুল হাসান ও বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পালিয়ে যাওয়ার সময় শামিনুর রহমান ও কামরুন্নাহার লিপিকে বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডারের সামনে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন আওয়ামী লীগের এবং একজন যুবলীগের কর্মী। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে প্রথমে তিনটি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের তথ্যের ভিত্তিতে আরও ১০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা হয় ১৩টি তাজা ককটেল। ডিএমপির বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয়করণ দল সেগুলো নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করে।

এ ছাড়া, ঢাকা পোস্ট জানিয়েছে, গত রাতে রমনা শপিং কমপ্লেক্সের বিপরীত পাশে দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই মামলার আসামি জাহিদুল ইসলাম ও শিহাব হোসেনকে আজ সকালে নয়াটোলার চেয়ারম্যান গলির বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে চারটি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়।