আজকের পত্রিকা অনুযায়ী, বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার কাইনমারি গ্রামসংলগ্ন পশুর নদী থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় নিখোঁজ মৌসুমি জেলে মেহেদী হাসান (২২) এর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মেহেদী রামপাল উপজেলার ফয়লা বাজারসংলগ্ন গোবিন্দপুর এলাকার মো. শফিউল শেখের ছেলে।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে আজকের পত্রিকা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে মোংলার সিন্দুরতলা খাল এলাকায় দুবলার চরে শুঁটকি আহরণের জন্য নোঙর করা ২০-২৫টি ট্রলারের একটি থেকে সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে দাঁত ব্রাশ করার সময় পা পিছলে মেহেদী নদীতে পড়ে তলিয়ে যান। সঙ্গে থাকা জেলেরা তাৎক্ষণিক খোঁজাখুঁজি করলেও তাঁর সন্ধান পেল না। পরে মোংলা ও খুলনার ফায়ার সার্ভিসের দুটি ডুবুরি দল দিনভর উদ্ধার অভিযান চালালেও সফল হয়নি। রাতে অভিযান স্থগিত করা হয়।
সারাবাংলা ও ইনডিপেনডেন্ট টিভির রিপোর্ট অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মোংলার চিলা বাজারসংলগ্ন নদীতে স্থানীয় জেলেদের জালে মরদেহটি আটকে পাওয়া যায়। তবে আজকের পত্রিকা কাইনমারি গ্রামসংলগ্ন নদী থেকে স্থানীয়রা মরদেহ উদ্ধার করার কথা উল্লেখ করেছে। দুটি আউটলেটই দাবি করে, প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর মরদেহ পাওয়া গেছে।
চাঁদপাই নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোক্তারুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেছেন, ‘স্থানীয়রা পশুর নদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ হেফাজতে নেয়। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।’ সারাবাংলা ও ইনডিপেনডেন্ট টিভিও একই তথ্য দিয়েছে, তবে তারা উদ্ধারের সময় বিকেল সাড়ে ৫টা বলে উল্লেখ করেছে।






