ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে খুলনা রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. রেজাউল করিমের শুদ্ধি অভিযান চলাকালে বেতন‑ভাতার বাইরে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগে ২৮ জন পুলিশ সদস্যকে একযোগে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে।

প্রত্যাহারকৃত সদস্যদের মধ্যে বাবুর্চি থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মচারীও রয়েছেন। তালিকায় খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন থানার ও ইউনিটের সদস্য, পাশাপাশি ট্রাফিক ও গোয়েন্দা শাখার কর্মচারীও অন্তর্ভুক্ত।

ডিআইজি করিমের মতে, দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো‑টলারেন্স নীতি অনুসারে শুদ্ধি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান যে আইজিপি স্যারেরও অনৈতিক সুবিধা গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

প্রত্যাহারকৃতদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন থানায় ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বেতন‑ভাতার বাইরে বিভিন্নভাবে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলেন, পুলিশ সদস্যদের বেতন‑ভাতা ও সুবিধা বাড়ানোর মূল উদ্দেশ্য আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তবে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ বাহিনীর শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি কাঠামোকে দুর্বল করে। তাই শুধু বদলি বা ক্লোজ নয়, নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

ডিআইজি করিম আরও অনুরোধ করেছেন যে খুলনা রেঞ্জে কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে হবে।

এই পদক্ষেপটি খুলনা রেঞ্জে শুদ্ধি অভিযানকে আরও এগিয়ে নেওয়ার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে, যা পুলিশের প্রতি জনআস্থা বজায় রাখতে অভ্যন্তরীণ জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।